Logo

 

গ্যালারি

NGO (Non-Governmental Organization) সাধারণ ভাবে স্থানীয় বা আন্তর্জাতিক সংস্থা যা মানুষের মৌলিক চাহিদা যেমন- শিক্ষা, খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা, মানবতা সহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে থাকে।

জেলা প্রশাসক কর্তৃক এনজিওদের সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিং করার লক্ষ্যে প্রতিমাসে জেলা ও উপজেলায়  জেলা ও উপজেলা এনজিও সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।‍‍ এছাড়া  এনজিওর কার্যক্রম সুষ্ঠু মনিটরিং/ তদারকির নিমিত্বে জেলা প্রশাসক , অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ কর্তৃক বিভিন্ন সময়  বিভিন্ন এনজিও পরিদর্শন করা হয়ে থাকে।

০৮ । ০৯ । ২০২০

আগামী ২১/০৯/২০২০ খ্রি. তারিখ রোজ সোমবার সকাল ১১.০০ ঘটিকার সময় জেলা প্রশাসক, রাজশাহী মহোদয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা এনজিও বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত তারিখে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করা হলো।

আগামী ২১/০৯/২০২০ খ্রি. তারিখ রোজ সোমবার সকাল ১১.০০ ঘটিকার সময় জেলা প্রশাসক, রাজশাহী মহোদয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা এনজিও বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত তারিখে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করা হলো।

১৪ । ০৭ । ২০২০

আগামী অর্থবছরের জন্য এনজিও পোর্টাল নবায়ন বাবদ ৫০০/- টাকা এনজিও বিষয়ক সমন্বয় সভার পূর্বেই SB-34108506, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, কোর্ট বিল্ডিং শাখা, রাজশাহী জেলা এনজিও ওয়েবসাইট প্রনোয়ন কমিটি বরাবর জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

আগামী অর্থবছরের জন্য এনজিও পোর্টাল নবায়ন বাবদ ৫০০/- টাকা এনজিও বিষয়ক সমন্বয় সভার পূর্বেই SB-34108506, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, কোর্ট বিল্ডিং শাখা, রাজশাহী জেলা এনজিও ওয়েবসাইট প্রনোয়ন কমিটি বরাবর জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

রাজশাহী নামটির উৎপত্তি সম্পর্কে আলোচনা করতে গেলেই কয়েক শতাব্দী পূর্বে ফিরে যেতে হয়। এ শহরের প্রাচীন নামটি ছিল মহাকাল গড়।পরে রূপান্তরিত হয়ে দাঁড়ায় রামপুর-বোয়ালিয়ায়।

রামপুর-বোয়ালিয়া থেকে রাজশাহী নামটির উদ্ভব কিভাবে হলো এর সুস্পষ্ট কোন ব্যাখ্যা নাই । ব্রিটিশ আমলের প্রাথমিক যুগের ইতিহাসে ও রাজশাহী নামক কোন জনপদ বা স্থানের উল্লেখ নাই । অনেকে মনে করেন, এই জনপদ একদা বহু হিন্দু, মুসলিম, রাজা, সুলতান আর জমিদার শাসিত ছিল বলে নামকরণ হয়েছে রাজশাহী।
ঐতিহাসিক ব্লকম্যানের (Bolch Mann) মতে, খ্রিষ্টীয় ১৫শ শতকে গৌড়ের মুসলিম সালতানাত এই জেলার ভাতুড়িয়ার জমিদার রাজা গণেশ কতৃর্ক আত্মসাতের সময় থেকে রাজশাহী নামের উদ্ভব হয়েছে। হিন্দু রাজ আর ফারসী শাহী এই শব্দ দুটির সমন্বয়ে উদ্ভব হয়েছে মিশ্রজাত শব্দটির। কিন্তু ব্লকম্যানের অভিমত গ্রহণে আপত্তি করে বেভারিজ (Beveridge) বলেন, নাম হিসেবে রাজশাহী অপেক্ষা অর্বাচীন এবং এর অবস্থান ছিল রাজা গণেষের জমিদারী ভাতুড়িয়া পরগনা থেকে অনেক দূরে।

রাজা গণেশের সময় এই নামটির উদ্ভব হলে তার উল্লেখ টোডরমল প্রণীত খাজনা আদায়ের তালিকায় অথবা আবুল ফজলের আইন-ই-আকবরী নামক গ্রন্থে অবশ্যই পাওয়া যেত। ডব্লিউ ডব্লিউ হান্টারের মতে, নাটোরের রাজা রামজীবনের জমিদারী রাজশাহী নামে পরিচিত ছিল এবং সেই নামই ইংরেজরা গ্রহণ করেন এই জেলার জন্য। অনেকে এসব ব্যাখ্যাকে যথার্থ ইতিহাস মনে করেননা।তবে ঐতিহাসিক সত্য যে, বাংলার নবাবী আমল ১৭০০ হতে ১৭২৫ সালে নবাব মুশির্দকুলী খান সমগ্র বাংলাদেশকে রাজস্ব আদায়ের সুবিধার জন্য ১৩ (তের) টি চাকলায় বিভক্ত করেন। যার মধ্যে ‘চারুলা রাজশাহী’ নামে একটি বৃহৎ বিস্তৃতি এলাকা নির্ধারিত হয়। এর মধ্যে প্রবাহিত পদ্মা বিধৌত ‘রাজশাহী চাকলা’ কে তিনি উত্তরে বতর্মান রাজশাহী ও দক্ষিণে মুর্শিদাবাদের সঙ্গে অপর অংশ রাজশাহী নিজ চাকলা নামে অভিহিত করেন।

প্রথমে সমগ্র চাকলার রাজস্ব আদায় করতেন হিন্দু রাজ-জমিদার উদয় নারায়ণ। তিনি ছিলেন মুর্শিদ কুলির একান্ত প্রীতিভাজন ব্যক্তি। যে জন্য নবাব তাকে রাজা উপাধী প্রদান করেন। দক্ষিণ চাকলা রাজশাহী নামে বিস্তৃত এলাকা যা সমগ্র রাজশাহী ও পাবনার অংশ নিয়ে অবস্থিত ছিল, তা ১৭১৪ সালে নবাব মুর্শিদকুলী খান নাটোরের রামজীবনের নিকট বন্দোবস্ত প্রদান করেন। এই জমিদারী পরে নাটোরের রাণী ভবানীর শাসনে আসে ও বহু অঞ্চল নিয়ে বিস্তৃতি লাভ করে। রামজীবন প্রথম নাটোর রাজ ১৭৩০ সালে মারা গেলে তার দত্তক পুত্র রামকান্ত রাজা হন। ১৭৫১ সালে রামকান্তের মৃত্যুর পরে তার স্ত্রী ভবানী দেবী রাণী ভবানী নামে উত্তরাধীকারী লাভ করেন। অনেকের মতে, প্রথম রাজা উদয় নারায়ণের উপর প্রীতি বশত এই চাকলার নাম রাজশাহী করেন নবাব মুর্শিদকুলী খান।
কিন্তু ঐতিহাসিক অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়র মতে, রাণী ভবানীর দেয়া নাম রাজশাহী । অবশ্য মিঃ গ্রান্ট লিখেছেন যে, রাণী ভবানীর জমিদারীকেই রাজশাহী বলা হতো এবং এই চাকলার বন্দোবস্তের কালে রাজশাহী নামের উল্লেখ পাওয়া যায়।

 

 

NGO সমূহ